বিভিন্ন জেলার বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না হওয়ায় ৪ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ তাদের বিদ্যালয় জাতীয়করণ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত এবং কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী সরকারীকরণে নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া ।

অদ্য ০৫/১১/২০১৭ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চের মাননীয় বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এবং মাননীয় বিচারপতি এ. কে. এম জহিরুল হক। উক্ত ৫ টি রীট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানী অন্তে কেন রীটকারীদের বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ তালিকায় অন্তভুক্ত করণ এবং কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী সরকারী করণের নির্দেশনা প্রদান করা হবে না এই মর্মে বিবাদীগণের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারী করেন। রীট পিটিশনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ ৮ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রীটকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, সহকারী এ্যাটর্নী জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

জাতীয়করণের সকল শর্ত পূরণ হলেও জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ায় এই রীট দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ। রীটকারীগণ হলেন কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার মাঝিচর স্বল্পব্যায়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোসাঃ কামরুন নাহার, গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলার শেখ রাসেল বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক রোজি আক্তার, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার আভঙ্গী স্বল্পব্যায়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক রাসনা বেগম এবং একই উপজেলার টেকইকোনা স্বল্পব্যায়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম ।